রবিবার ২৪শে অক্টোবর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ৮ই কার্তিক, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম
শিরোনাম

দফায় দফায় বন্যা, দুঃশ্চিন্তা আর হতাশায় কৃষক

শরীফুজ্জামান, বাসাইল (টাঙ্গাইল)   |   শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২০

দফায় দফায় বন্যা, দুঃশ্চিন্তা আর হতাশায় কৃষক

টাঙ্গাইলের বাসাইলে দফায় দফায় বন্যায় দুঃশ্চিন্ত আর হতাশায় ভুগছে কৃষক সমাজ। তাদের যেন চিন্তার অন্ত নেই । পানিতে ডুবে আছে সবুজ মাঠ, ভেঙ্গে যাচ্ছে কৃষকের স্বপ্ন। এতে করে দিশেহারা হয়েছে পড়েছে কৃষক। ২য় দফা বন্যার রেশ না কাটতেই বাসাইলে আঘাত হেনেছে ৩য় দফা বন্যা। আর এ বন্যায় বাসাইল সদর, কাউলজানী, ফুলকি, হাবলা, কাশিল ও কাঞ্চনপুর ইউনিয়নে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। সম্প্রতি বাসাইল দক্ষিণ পাড়া এলাকায় কালভার্ট ভেঙ্গে যাওয়ায় উপজেলার দক্ষিনাঞ্চলে দ্রæত তলিয়ে যাচ্ছে কৃষকের মাঠের ফসল। এখনো পানির নিচে রয়েছে আউস, আমন ও সবজি ক্ষেত।

বাসাইল কৃষি স¤প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানায়, চলতি বন্যায় উপজেলার প্রায় ১২ হাজার কৃষক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন। এসব কৃষকদের ১৭শত হেক্টর জমির ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে কৃষকের ক্ষতির পরিমান প্রায় ৬ কোটি টাকা। হতাশাগ্রস্থ কৃষকরা কয়েক দফা বন্যার ক্ষতি কাটিয়ে উঠার লক্ষ্যে চরা দামে চারা ক্রয় করে যে রোপা আমন লাগিয়েছিলেন তাও এখন পানির নিচে।

বাসাইল দক্ষিন পাড়ার কৃষক রুবেল মিয়া বলেন, গত দুই দফা দীর্ঘ মেয়াদী বন্যা শেষে যখন পানি কমতে শুরু করছিল, তখন আমরা আশার আলো দেখতে শুরু করেছিলাম। কিন্তু ৩য় দফা বন্যায় আমাদের স্বপ্ন ভেঙ্গে গেছে। পূর্বের বন্যায় পানিতে আমন ধান ভেসে গেছে। আশায় বুক বেধেছিলাম আগামীতে অন্তত সরিষার আবাদটা করতে পারবো। নতুন করে বন্যার পানি আবারও বৃদ্ধি পাওয়ায় সে আশা টুকুও হারিয়ে গেল।

webnewsdesign.com

উপজেলার আইসড়া গ্রামের আশরাফ মিয়া বলেন, ধারদেনা করে চড়া দামে চারা কিনে ৫০ হাজার টাকা খরচ করে তিন বিঘা জমিতে রোপা আমন লাগিয়েছিলাম। সব চারা এখন পানির নিচে। এ অবস্থায় আর সোজা হয়ে দাঁড়াতে পারবো না।

বাসাইল উপজেলা কৃষি অফিসার নাজনীন আক্তার বলেন, শেষ সময়ের বন্যায় উপজেলার কৃষকদের কি পরিমান ক্ষতি হয়েছে তা নির্ণয় করা হচ্ছে। পানি নেমে যাওয়ার সাথে সাথে তা নিদিষ্ট করে বলা যাবে। যদি পানি দ্রæত কমে যায়, তাহলে আগামী মৌসুমে কৃষক সরিষা আবাদ করতে পারবেও বলে তিনি জানান।

এ ব্যপারে বাসাইল উপজেলা চেয়ারম্যান কাজী অলিদ ইসলাম বলেন, গত দুই দফা বন্যার পরবর্তীতে কৃষকদের রোপা আমনের চারা ও বিভিন্ন প্রকার সবজীর বীজ দেওয়া হয়েছিল। ৩য় দফা বন্যায় কৃষকরা আবারো ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। বন্যার পানি নেমে যাওয়ার সাথে সাথে কৃষি বিভাগের পরামর্শ অনুযায়ী কৃষকদের সহযোগীতা করা হবে।

Facebook Comments Box
advertisement

Posted ৮:৩০ পূর্বাহ্ণ | শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২০

দৈনিক প্রথম দৃষ্টি |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

এ বিভাগের আরও খবর

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০৩১  
প্রকাশক
মাসুদ করিম সিদ্দিকী
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক
মিজানুর রহমান সিদ্দিকী রঞ্জু
সম্পাদক
এস কে দোয়েল
অফিস ব্যবস্থাপনা
নিসা আলী
সম্পাদকীয় কার্যালয়
৫/সি, আফতাবনগর মেইন রোড, রামপুরা, ঢাকা।
আঞ্চলিক প্রধান কার্যালয়
চৌরাস্তা বাজার, তেঁতুলিয়া, পঞ্চগড়
ফোন
+৮৮০১৭৫০-১৪০৯১৯ (সম্পাদক)
+৮৮০১৭১৮-৭৭২৭৪৯ (বার্তা-সম্পাদক)
Email
prothomdristy@gmail.com