বৃহস্পতিবার ২৫শে ফেব্রুয়ারি, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ১২ই ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম
শিরোনাম

পঞ্চগড়ে তরমুজ বিক্রি না হওয়ায় লোকশানে চাষীরা

  |   মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২০

পঞ্চগড়ে তরমুজ বিক্রি না হওয়ায় লোকশানে চাষীরা

পঞ্চগড় প্রতিনিধি:
দেশের সর্ব উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ের চলতি মৌসুমে তরমুজের বাম্পার ফলন হলেও তরমুজ চাষীদের উৎপাদিত তরমুজ বিক্রি করতে না পারায় লোকসানে পড়েছে জেলার কয়েকশ তরমুজ চাষী । তাদের দাবী করোনা ভাইরাসের কারণে জেলায় জেলায় লকডাউন আর পরিবহন বন্ধ থাকার কারনে বাইরে থেকে ব্যবসায়ীরা আসতে না পারায় বিক্রি হচ্ছেনা জমির উৎপাদিত তরমুজ। ফলে তাদের তরমুজ জমিতে নষ্ট হচ্ছে ।

আজ মঙ্গলবার (১২ মে) জেলার বিভিন্ন এলাকায় সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, তরমুজ ক্ষেতে প্রচুর পরিমানে তরমুজ থাকলেও নেই ক্রেতাদের ভিড় ফলে চাষীরা তাদের ক্ষেতের তরমুজ বিক্রি করতে না পারায় লোকশান নিয়ে দুঃশ্চিন্তায় তারা।

জানা গেছে, জেলার পাঁচ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় এবার ব্যপক ভাবে চাষ হয়েছে তরমুজের। আবহাওয়া অনুকুল পরিবেশ ও তরমুজ চাষের উপযোগী হওয়ায় বিগত মৌসুমের তুলনায় চলতি মৌসুমে তরমুজের ফলনও হয়েছে বাম্পার। কিন্তু করোনার কারনে ফল বিক্রি এখন কৃষকের প্রতিকুলে। বৈশাখের শুরুতে ফলন বিক্রির উপযোগী সময় হলেও করোনার পরিস্থিতির কারনে বাইরে থেকে ব্যবসায়ীরা না আসায় তাদের তরমুজ বিক্রি হচ্ছেনা, ফলে কৃষদের দিন কাটছে দুঃশ্চিন্তায়। এ জেলার উৎপাদিত তরমুজ স্থানীয় চাহিতে মিটিয়েও দেশের বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ করা হতো। কিন্তু জেলায় জেলায় লকডাউন আর পরিবহন বন্ধ থাকার কারনে বাহির থেকে ব্যবসায়ীরা আসতে পারেছ না। তাই কৃষকের উৎপাদিত তরমুজ বিক্রি না হওয়ায় ক্ষেতের তরমুজ ক্ষেতেই পড়ে রয়েছে।

এবিষয়ে কথা হয় জেলার সদর উপজেলার হাফিজাবাদ ইউনিনের তরমুজ চাষী আফজাল হোসেনের সাথে, তিনি জানান, আমি বিভিন্ন ঋণদান সংস্থা থেকে ঋণ নিয়ে এবার ৬ বিঘা জমিতে তরমুজের আবাদ করেছি,ফলনও ও ভাল হয়েছে কিন্তু বাইরে থেকে পাটি না আসায় কম দামে তরমুজ বিক্রি করতে হচ্ছে এতে লাভ হওয়ার কথা থাকলেও আসল টাকাই তুলতে পারছি না ফলে লোকসানে পড়েছি ।

একই কথা জানান জেলার সীমান্তবর্তী উপজেলা তেঁতুলিয়ার শালবাহান ইউনিয়নের তরমুজ চাষী সাজেদুল ইসলাম তিনি জানান, , প্রতি বছর আমি তরমুজের আবাদ করি। এবছর লাভের আশায় ১৬ বিঘা জমিতে তরমুজ করেছি কিন্তু দাম পাইনি। করোনার কারণে বাইরে থেকে পাটি না আসায় কম দামে তরমুজ বিক্রি করতেছি । ফলে লোকমসানে পড়েছি সরকার যদি আমাদেও দিকে ফিওে চায় তাহলে আমরা অনেক উপকৃত হবো ।

এদিকে পঞ্চগড় কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. আবু হানিফ জানান, চলতি মৌসুমে পঞ্চগড়ে এক’শ হেক্টর জমিতে তরমুজের আবাদ হয়েছে, ফলনও হয়েছে বাম্পার, তবে করোনার পরিস্থিতিতে কৃষকধের উৎপাদিত তরমুজ বিক্রর ক্ষেত্রে যদি বাইরের ব্যবসায়ীদের ঠিকানা দেয়া হয় ,তাহলে প্রশাসনের মাধ্যমে বিক্রির সহযোগিতা করবে জেলা কৃষি বিভাগ।

Facebook Comments
advertisement

Posted ৫:২২ অপরাহ্ণ | মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২০

দৈনিক প্রথম দৃষ্টি |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮  
প্রকাশক
মাসুদ করিম সিদ্দিকী
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক
মিজানুর রহমান সিদ্দিকী রঞ্জু
সম্পাদক
এস কে দোয়েল
প্রধান প্রতিবেদক
আব্দুল্লাহ আল মাহাদী
অফিস ব্যবস্থাপনা
নিসা আলী
সম্পাদকীয় কার্যালয়
৫/সি, আফতাবনগর মেইন রোড, রামপুরা, ঢাকা।
আঞ্চলিক প্রধান কার্যালয়
চৌরাস্তা বাজার, তেঁতুলিয়া, পঞ্চগড়
ফোন
+৮৮০১৭৫০-১৪০৯১৯ (সম্পাদক)
+৮৮০১৭১৮-৭৭২৭৪৯ (বার্তা-সম্পাদক)
Email
prothomdristy@gmail.com