মঙ্গলবার ৯ই মার্চ, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ২৪শে ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম
শিরোনাম

ভূঞাপুরে আবারো নতুন করে যমুনা নদীতে ভাঙ্গন

  |   বুধবার, ০৯ অক্টোবর ২০১৯

ভূঞাপুরে আবারো নতুন করে যমুনা নদীতে ভাঙ্গন

আব্দুল লতিফ তালুকদার, ভূঞাপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি: আবারো নতুন করে যমুনা পূর্বপাড়ে ভাঙ্গন শুরু হয়েছে। ভাঙ্গনের কবল থেকে উঠতে না উঠতেই শুরু হয়েছে আবারো নদী ভাঙ্গন। শতশত বসতভিটে যাচ্ছে যমুনা নদীর পেটে, গৃহহীন হয়ে পরেছে পরিবারগুলো। এসব পরিবারগুলোর নতুন করে বসতভীটা করার নেই কোন সামর্থ্য। এভাবে ইতিমধ্যে অনেক পরিবারই উদ্ভাস্থ হয়েছে। গত বন্যায় টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলার অর্জুনা, গাবসারা, গোবিন্দাসী, এই তিনটি ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রাম ভাঙ্গনের কবলে পরে, তার মধ্যে অর্জুনা ইউনিয়নের অর্জুনা, তাড়াই, জগৎপুরা, কুঠিবয়ড়া, গোবিন্দাসী ইউনিয়নের খানুরবাড়ী, কষ্টাপাড়া, ভালকুটিয়াসহ কয়েকটি গ্রামের বেশকিছু অংশ বিলীণ হয়ে যায়।

এর আগে তাড়াই বেড়ীবাধ ভেঙ্গে হাজার হাজার একর ফসলী জমি নষ্ট হয়ে যায়। পরবর্তীতে তাড়াই বেড়ীবাধ সংস্কার করলেও এখনো হুমকির মুখে রয়েছে। এছাড়া ০৫ অক্টোবর তাড়াই গ্রামে ১টি ব্রীজ নদীগর্ভে বিলীণ হয়ে যায়। এখনো পর্যন্ত তাড়াই, কষ্টাপাড়া, ভালকুটিয়া, চিতুলিয়াপাড়া এলাকায় ভাঙ্গন অব্যাহত রয়েছে। হুমকির মুখে রয়েছে ২টি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ৩টি মসজিদ, ১টি মন্দির। ইতিমধ্যে ১টি মসজিদ নদীগর্ভে বিলীণ হয়ে গেছে। এর আগে খানুরবাড়ী ভাঙ্গন কবলিত এলাকায় গেলো বন্যায় ৭৫ মিটারের মধ্যে জিওব্যাগ ফেললেও সেগুলো কোনো কাজেই আসেনি। ফলে ভাঙ্গন অব্যাহত রয়েছে। নতুন করে ভাঙ্গন কবলিত এলাকা কেউ পরিদর্শন করতে আসে নি।

এদিকে ভূক্তভোগী কষ্টাপাড়া গ্রামের রঞ্জিত কুমার সাহা বলেন, যমুনার পূর্বপাড় ভাঙ্গতে ভাঙ্গতে শেষ হয়ে গেছে। আমাদের যাওয়ার আর কোনো জায়গা নেই। ভাঙ্গন কবলিত মানুষের হাহাকার কেউ শুনে না। তিনি আরো বলেন, আমাদের এই পূর্বপাড়ে অতিশীঘ্রই বেড়ীবাধ না করলে যেটুকু আছে সেটুকুও থাকবে না। খানুরবাড়ী গ্রামের আল-মামুন বলেন, বাড়ী টানতে টানতে আর ভালো লাগেনা। তাই দ্রæত স্থায়ী বেড়ীবাধ দিলে আমরা এই যমুনার কড়াল ঘ্রাস থেকে রক্ষা পেতে পারি।

টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, অস্থায়ীভাবে ভাঙ্গন কবলিত এলাকায় জিওব্যাগ ডাম্পিং করা হচ্ছে।

এ ব্যাপারে স্থানীয় এমপি ছোট মনির বলেন, যমুনার ভাঙ্গন থেকে রক্ষার জন্য অস্থায়ীভাবে জিওব্যাগ ফেলার কাজ চলছে। তিনি আরো বলেন, নলিন থেকে বঙ্গবন্ধু সেতু পর্যন্ত পূর্বপাড়ে স্থায়ীভাবে বেড়ীবাধের কাজ শুরু হয়েছে।

Facebook Comments
advertisement

Posted ১:৩৩ অপরাহ্ণ | বুধবার, ০৯ অক্টোবর ২০১৯

দৈনিক প্রথম দৃষ্টি |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০৩১  
প্রকাশক
মাসুদ করিম সিদ্দিকী
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক
মিজানুর রহমান সিদ্দিকী রঞ্জু
সম্পাদক
এস কে দোয়েল
প্রধান প্রতিবেদক
আব্দুল্লাহ আল মাহাদী
অফিস ব্যবস্থাপনা
নিসা আলী
সম্পাদকীয় কার্যালয়
৫/সি, আফতাবনগর মেইন রোড, রামপুরা, ঢাকা।
আঞ্চলিক প্রধান কার্যালয়
চৌরাস্তা বাজার, তেঁতুলিয়া, পঞ্চগড়
ফোন
+৮৮০১৭৫০-১৪০৯১৯ (সম্পাদক)
+৮৮০১৭১৮-৭৭২৭৪৯ (বার্তা-সম্পাদক)
Email
prothomdristy@gmail.com